ভোলার দৌলতখান উপজেলার সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার চলতি দায়িত্ব ৩টি রাজ প্রশাদের মালিক কি করে হলেন।

0
369

ডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি:খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের টিপনা গ্রামের দরিদ্র মৃত নিছার আলী ওরফে তেলো নিছার শেখের ছেলে মোঃ শাহজাহান আলী শেখ,তার বাবা কিছু দিন পূর্বে ঘোড়া দিয়ে ঘাইন ঘুড়িয়ে তেল বের করে নিজেই হাটে বিক্রি ‌করে সংসারের খরচ যোগাতেন, তার ছেলে ‌রাতা রাতি কি আলাউদ্দিনের চেরাকের মত খুলনা শহরে বাড়ি শহরে যায়গা কেনা ও ৩ টি রাজ প্রাসাদ বানিয়ে ফ্যালেন।এর অর্থ উৎস্য কোথার‌ থেকে এসেছে। বিষয় টি খতিয়ে দেখলে বেরিয়ে আসবে।
সে ভোলার দৌলতখান উপজেলার সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বর্তমান চলতি দায়িত্ব মোঃ শাহজাহান আলী শেখ, সে করোনা ভাইরাসের করলাম স্হলে না থেকে সরকারী আদেশ অমান্য করে, গ্রামের বাড়ি এসে ।মুক্তিযোদ্ধা পরিবার কে ভিটে থেকে উচ্ছেদ,আপন ভাই , চাচাত ভাই, ফু ফু ,ফুফাতো ভাই ,ভাবী,চাচা,চাচী, প্রতিবেশীরা আরো অনেকে সম্প্রতি ফাঁকি সহ নিজের নামে বি আর এসে করে নেওয়াই, তার বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানায় জিডি সহ খুলনা কোট আদালতে ১০টি মামলা দায়ের করেছেন শাহজাহানের বিরুদ্ধে। সে সরকারী ছুটি না নিয়ে নিয়মিত মামলায় কোট আদালতে হাজিরা দেন।উল্লেখ্য এই সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পিরোজপুর মঠবাড়িয়া উপজেলা চাকরি করার সময়ে উনি চাকরি দেয়ার নামকরণ সহ বিভিন্ন অজুহাতে ২২টি প্রতিষ্ঠান থেকে স্কুল কলেজের শিক্ষকদের নিকট থেকে উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ উঠলে মঠবাড়িয়া অনলাইন পত্রিকা ও দিপ্তী নিউজে ,সহকারী শিক্ষা অফিসার চলতি মোঃ শাহজাহান আলী শেখের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হয়।তার প্রেক্ষিতে এ সহকারী শিক্ষা অফিসার ঘুষ খাওয়া অপরাধে মঠবাড়িয়া সংসদ সদস্য বিচার বসলে সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহজাহান আলী শেখ কিছু টাকা ফেরত দেয় । বিষয় টি নিয়ে সংসদ সদস্য শিক্ষা বিভাগের উদ্ধর্তন কতৃপক্ষ নিকট জানালে।
তাকে বদলী করে ভোলার দৌলতখান উপজেলা পাঠিয়ে দেয়। সে এখন কর্মরত আছেন। উনি দৌলতখান উপজেলায় না থেকে খুলনায় বিলাশ বহুল বাসা নিয়ে থাকেন,এলাকায় বাসী সূত্রে জানা গেছে অল্প দিন চাকরি ‌করে এতো টাকার মালিক কি করে হলেন।খুলনা শহরে বাড়ি, যায়গা গ্রামে এসি সহ ৩টি রাজপ্রাসাদ , মার্কেট, কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রয় করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহজাহান আলী সাথে০১৭১৬৪৪০৫৫৫ মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলো।
ও অকৈথ্য ভাষা ব্যবহার করলেন । এবং তার বিরুদ্ধে এলাকা মানুষ কথা বলে‌তে সাহস পাইনা।বিষয়টি ভোলা জেলা প্রশাসক সহ শিক্ষা বিভাগের উদ্ধর্তন কতৃপক্ষ ও দুর্নীতির দমন কমিশন। আশু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জন্য এলাকার সচেতন মহল দাবী করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here