ডুমুরিয়ায় দলিতের উদ্যোগে শিার্থীদের মাঝে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান ও উদ্বুদ্ধকরন সভা অনুষ্ঠিত

0
256

চুকনগর প্রতিনিধি:বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা দলিতের বাস্তবায়নে এবং ক্রিস্টিয়ান এইডের সহযোগীতায় উচ্চতর শিায় অগ্রগামী করার ল্েয দলিত শিার্থীদের মাঝে আর্থিক সহযোগীতা প্রদান ও উদ্বুদ্ধকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে দলিতের কর্মসূচি প্রধান বিকাশ দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ শাহনাজ বেগম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিা কর্মকর্তা শেখ ফিরোজ আহমেদ। দারিদ্র ও সামাজিক বৈষম্য এর সাথে যুদ্ধ করে দলিত জনগোষ্ঠীর যে সকল মেয়েরা উচ্চতর শিা তথা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নীত হওয়াতে তারা দলিত সম্প্রদায়ের অভিভাবক ও বিশেষ করে অবহেলিত মেয়েদের জন্য অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জাতি, ধর্ম, বর্ন, নির্বিশেষে সকলে সমান ও সম মর্যাদার অধিকারী। তাই বৈষম্য নয় সমান মর্যাদার সাথে নিজেদের শঙ্কা কাটিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আহবান জানিয়ে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা “দলিত ও প্রান্তিক নারীদের মতায়ন” প্রকল্পের প থেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৫ জন শিার্থীর মাঝে প্রত্যেককে এককালীন ৭০০০ টাকা বিতরণ করেন এবং দলিত মেয়েদের শিােেত্র ঝরে পড়া থেকে রোধ করতে সকল প্রকার সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন দলিতের প্রকল্প ব্যবস্থাপক চায়না রানী দাস। চুকনগরে পাওয়া টাকা ফেরত না দিয়ে ভাড়াটিয়া বাড়ি থেকে চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার বাঁধা দেয়ায় ৩জন মেরে জখম। চুকনগর প্রতিনিধি ॥ চুকনগরে পাওয়া টাকা ফেরত না দিয়ে ভাড়াটিয়া বাড়ি থেকে চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার বাঁধা দেয়ায় ৩জন মেরে জখম করা হয়েছে। এঘটনায় বাড়ির গেটও ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর শহরের গোলাম রোডের একটি ভাাড়াটিয়া বাড়িতে। মৃত শওকাত আলী গাজীর কন্যা ফিরোজা বেগম জানায়, অসহায় অবস্থায় প্রায় ১৫বছর আগে আলতাফ হোসেন নামে এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ফরিদা বেগম ও সন্তানকে নিয়ে তাদের বাড়িতে আশ্রয় গ্রহন করে। দীর্ঘদিন ভাড়াটিয়া হিসাবে থাকার কারণে তাদের সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে আর্থিক লেনদেনও শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ফিরোজা বেগমের কাছ থেকে ফরিদা বেগম ১ল ৫০হাজার টাকা ধার হিসাবে নেয়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই তাদের সম্পর্কের অবনতি হলে ফিরোজা বেগম টাকা ফেরত চাওয়ায় সময় প্রার্থনাসহ টাকা না দেয়ার নানা তালবাহানা করতে থাকে। এঘটনায় ফরিদা বেগম টাকা ফেরত না দেয়ার হীন মানষিকতায় উল্টো খুলনা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোগের তদন্তে এসে বিষয়টি যাচাই বাচাই করে একটি সুষ্টু সমাধানের ল্েয জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অধ্য এবিএম শফিকুল ইসলামকে প্রধান করে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপর দায়িত্ব অর্পন করেন। অধ্য এবিএম শফিকুল ইসলাম আগামী ৯জুলাই বৃহস্পতিবারে উভয় পকে নিয়ে একটি সুষ্টু সমাধানের দিন ধায্য করেন। কিন্তু আলতাফ হোসেন ও ফরিদা বেগম সকল সিদ্ধান্ত অমান্য করে সোমবার দুপুরের দিকে মালামাল নিয়ে চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির মালিক প বিষয়টি জানতে পারার গ্রেটটি বাইরে থেকে তালা মেরে দেয়। এঘটনায় তারা উত্তেজিত হয়ে ও কয়েকজন বহিরাগতদের সহযোগীতায় বাড়ির মালিক ফিরোজা বেগম, মাতা আছিয়া বেগম ও পুত্র আবিদ হাসানকে এলোপাতাড়ি মেরে আহত করে এবং বাড়ি প্রবেশের গেটটি ইট ও লাঠি দিয়ে ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করে। এব্যাপারে ফরিদা বেগম তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here