দেবহাটার পারুলিয়ায় বিভিন্ন অলিগলিতে বাগদা চিংড়ীতে পুশিং এর অভিযোগ

0
161

আবুল হাসান, দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ॥ বাগদা চিংড়ী মাছ সাদা সোনা খেত। বাগদা মাছ মৎস্য চাষীদের জন্য বড় একটি সম্পদ। সম্পদের মান কমানে ও নষ্ট করতে এক শ্রেণীর অবৈধ মাছ ব্যবসায়ীরা রয়েছে। তাদের প্রতিনিয়ত বড় অংকের টাকার প্রয়োজনে পুশিং এর কাজ করতে উঠেপড়ে রয়েছে। সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলা পারুলিয়া এক শ্রেণীর বাগদা চিংড়ীর পক্ষে ও তাদের নেতৃত্বে পুশিং কার্যক্রমের অভিযোগ। একটি বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে, পারুলিয়ার হলমার্কেট থেকে বাড়ী মোল্যার হ্যাচারী এর আওতায় এই এলাকায় বেশ কিছু অসাধু মাছ ব্যবসায়ীরা ও প্রধান সড়ক থেকে শেড মসজিদ সড়কের দুই পাইপাশে ছোট বড় বেশ কিছু অলিগলি রয়েছে। গলির আশপাশে ছোট ছোট কামরা ও গলি রয়েছে। ঐ সমস্থ গলিতে বাগদা চিংড়ীতে পুশিং এর অভিযোগ। এমনি রয়েছে ঘরের ভিতর মাছ ও পুশিং ম্যানদের ঢুকিয়ে দিয়ে বাহির থেকে তালা দিয়ে, পুশিং কার্যক্রমের শেষে তালা খুলে দেয়। প্রতিনিয়ত সকাল ৮ টা থেকে প্রায় ২ টা পর্যন্ত পুশিং এর কাজ চলে বলে জানা যায়। ঠিক সময়মত পুশিং ম্যান মহিলাদের পুশিং স্পটে দেখা যায়। পুশিং করার কারণে বড় বড় মাছ ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে লক্ষ লক্ষ টাকা। লক্ষ টাকা ক্ষতি থেকে বাঁচতে হলে মৎস্য আড়তের আশপাশ সহ সকল জায়গা থেকে পুশিং এর কাজ বন্ধ করতে হবে। যে মহিলারা কাজ করে তাদের এলাকা সখিপুর, সেকেন্দ্রা, খেজুরবাড়ীয়া, দক্ষিন পারুলিয়া, মাঝ পারুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়ী। তাদের পুশিং সরঞ্জাম হচ্ছে মানুষের খাদ্য সাবু, ও বাচ্চাদের খেলনা ম্যাজিক বল, পান্তা ভাত, চিড়ি, ফ্যান, রং , পুইশাকের ক্যালসিয়ামসহ বিভিন্ন অপদ্রব্য দিয়ে বাগদা চিংড়ীতে প্রতিনিয়ত পুশিং করা হয় বলে জানা যায়। পুশিং এর হাত থেকে রক্ষা পেতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here