আলোচিত ধর্ষক মজনুর যাবজ্জীবন

0
101

স্টাফ রিপোর্টার : চলতি বছররে শুরুতে রাজধানীর র্কুমটিোলায় ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়রে শক্ষর্িাথীকে র্ধষণ মামলায় একমাত্র আসামি মজনুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দয়িছেে আদালত।
ঢাকার সপ্তম নারী ও শশিু নর্যিাতন দমন ট্রাইব্যুনালরে বচিারক মোছা. কামরুন্নাহার বৃহস্পতবিার দুপুরে আলোচতি এ মামলার রায় ঘোষণা করনে।
র্ধষণরে র্সবোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়ার আগে এই মামলার অভযিোগ গঠন হওয়ায় আগরে আইনরে র্সবোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডই দওেয়া হয়ছেে আসামি মজনুক।ে
সইে সঙ্গে বচিারক তাকে ৫০ হাজার টাকা জরমিানা করছেনে, যা না দতিে পারলে তাকে আরো ছয় মাস জলে খাটতে হব।ে
র্ধষণরে পর ওই শক্ষর্িাথীর মোবাইল নয়িে গয়িে এক নারীর কাছে বক্রিি করে দয়িছেলিনে মজনু, যা পরে র‌্যাব উদ্ধার কর।ে সে কারণে মামলায় র্ধষণরে পাশাপাশি ছনিতাইয়রে অভযিোগে দণ্ডবধিরি ৩৯৪ ও ৪১১ ধারায় মজনুর বরিুদ্ধে অভযিোগ গঠন করা হয়ছেলি।
তবে আদালত ছনিতাইয়রে অভযিোগ থকেে আসামকিে খালাস দয়িে বলছে,ে মজনু ওই মোবাইল ছনিতাই করে নয়িছেলিনে কি না, তা প্রমাণতি হয়ন।ি
রায়রে জন্য এদনি দুপুরে আদালতে হাজরি করার পর মজনু ব্যাপক চৎিকার-চঁেচামচেি ও পুলশি সদস্যদরে গালাগাল শুরু করলে বচিারক সাংবাদকি ও উৎসুক আইনজীবীদরে বাইরে যতেে বলে শুধু জ্যষ্ঠে আইনজীবীদরে এজলাসে থাকার অনুমতি দনে এবং পরে রুদ্ধদ্বার কক্ষে রায় ঘোষণা করা হয়।
আসামরি পক্ষে কােনো আইনজীবী না থাকায় ঢাকা জলো লগ্যিাল এইডরে রবউিল ইসলাম রবকিে এ মামলায় মজনুর পক্ষে মামলা পরচিালনার দায়ত্বি দওেয়া হয়ছেলি।
রায়রে পর সাংবাদকিদরে প্রশ্নরে জবাবে তনিি বলনে, “আদালত বলছে,ে রাষ্ট্রপক্ষ যভোবে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করছে,ে তাতে অভযিোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়ছে।ে
“আর আসামি পক্ষরে আইনজীবী হসিবেে আমি বলব, আসামি ন্যয়বচিার পানন,ি তনিি উচ্চ আদালতে যতেে পারনে।”
রায়রে আগে মজনুর আচরণ নয়িে প্রশ্ন করলে এই আইনজীবী বলনে, “সে নচোরালি এরকম। আজ অনকে লোক যখন প্রশ্ন করছে,ে সে র্ধষণ করছেে কি না সইে সুযোগ সে উল্টো পাল্টা আচরণ করছে,ে অস্বাভাবকি আচরণ করছে।ে”
অন্যদকিে এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষরে কৌঁসুলি আফরোজা ফারহানা আহম্মদে অরঞ্জে বলনে, “মজনুর ১৬৪ ধারার জবানবন্দ,ি ডএিনএ পরীক্ষার প্রতবিদেন, মোবাইল ট্র্যাকংিয়রে মাধ্যমে গ্রফেতার, র্ধষণরে শকিার শক্ষর্িাথীর শনাক্তকরণ ও সাক্ষীদরে সাক্ষ্যরে মাধ্যমে আমরা আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পরেছে।ি তাই আদালত সন্তুষ্ট হয়ে আসামকিে এই আইনে র্সবোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দয়িছেনে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ে সন্তুষ্ট।”
তনিি বলনে, ওই শক্ষর্িাথীকে ২০টি ছবি দখোনো হয়, তার মধ্যে মজুনর ছবওি ছলি। তনিি মজনুকইে র্ধষক হসিবেে শনাক্ত করছেলিনে।
র্ধষণরে ঘটনার পর ক্যাম্পাসে বা বাড়তিে না ফরিে ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়রে ওই শক্ষর্িাথী আইন ও সালশি কন্দ্রেরে তত্ত্বাবধানে ছলিনে।
আইন ও সালশি কন্দ্রেরে অ্যডভোকটে আবদুর রশদি বলনে, “এরকম রায়ই আমরা প্রত্যাশা করছেলিাম। যহেতেু, আগরে আইনে অভযিোগ গঠন হয়ছে,ে ফলে র্সবোচ্চ শাস্তি হসিবেে মৃত্যুদণ্ড দওেয়ার সুযোগ ছলি না।
“আমরা ওই শক্ষর্িাথীর পরবিারকে রায়রে কথা জানয়িছে।ি তারা এই রায়ে সন্তুষ্ট।”

কী ঘটছেলি
এ বছররে ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর ঢাকার র্কুমটিোলায় নর্জিন সড়করে পাশে র্ধষণরে শকিার হন ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়রে ওই শক্ষর্িাথী। পরদনি তার বাবা ক্যান্টনমন্টে থানায় মামলা করনে।
তনি দনি বাদে মজনুকে গ্রপ্তোর করে র‌্যাব জানায়, নোয়াখালীর হাতয়িা থকেে দশ বছর আগে ঢাকায় আসা এই ব্যক্তইি র্ধষণকারী।
তদন্ত শষেে দুই মাস পর গত ১৬ র্মাচ ডবিরি পরর্দিশক আবু বকর সদ্দিকি আদালতে অভযিােগপত্র দাখলি করনে। তাতে শুধু মজনুকইে আসামি করা হয়। ভুক্তভোগীর পােশাক ও মােবাইল ফােনসহ ২০টি আলামত তনিি জমা দনে আদালত।ে
গত ২৬ আগস্ট র্ভাচুয়াল শুনানতিে মজনুর বরিুদ্ধে অভযিোগ গঠন করে আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২০ জন সাক্ষ্য দনে। আসামপিক্ষে কউে সাফাই সাক্ষ্য দনেন।ি
গ্রফেতাররে পর রমিান্ড শষেে স্বীকারোক্তমিূলক জবানবন্দি দলিওে আদালতে আত্মপক্ষ সর্মথনরে সময় নজিকেে নর্দিোষ দাবি করনে মজনু।
তনিি বলছেলিনে, “আমার মা ছাড়া পৃথবিীতে কউে নইে। আমাকে মায়রে কাছে যাইতে দনে। আমি এই কাম করি নাই। আমারে ছাইড়া দ্যান।”
তবে র্ধষণরে শকিার ওই তরুণী রুদ্ধদ্বার আদালত কক্ষে দাঁড়য়িে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো মজনুকে র্ধষণকারী হসিবেে শনাক্ত করছেলিনে। তনিি র‌্যাবকওে বলছেলিনে, তার উপর নপিীড়নকারীর চহোরা জীবনওে ভুলতে পারবনে না তনি।ি
দুই পক্ষরে যুক্তর্তিক উপস্থাপন শষেে গত ১২ নভম্বের বচিারক এ মামলার রায়রে জন্য ১৯ নভম্বের দনি রাখনে।
ঘটনার আট মাসরে মধ্যে মামলা আদালতে ওঠার পর ১৩ র্কাযদবিসে বচিার শষেে মজনুকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দলিনে আদালত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here