“অবশেষে তালায় রাশিদা বেগম লালমতি ওরফে নেলও জাতপুর পুলিশ ক্যাম্পে শিকারউক্তি দিলেন জমির মালিক আমি নই”

0
305

 

তালা থেকে ফিরে, শেখ আব্দুল মজিদ :
অবশেষে তালায় রাশিদা বেগম লালমতি ওরফে নেলও জাতপুর পুলিশ ক্যাম্পে শিকারউক্তি দিলেন জমির মালিক আমি নই। শত শত এলাকাবাসীর সম্মুখে উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের মৃত জরিফ শেখের কন্যা রাশিদা বেগম লালমতি ওরফে নেলও তিনি বলেন বিগত ২৩ বছর পূর্বে আমি আমার আপন ভাই আনার শেখের কাছে পেয়ারাতলা নামক স্থান থেকে আলাদীপুর মৌজার ৬০০/৬০১ দাগের জমি হতে শরীক আনামতে তার অংশটুকু বিক্রয় করি এবং ভারতে চলে যায়। এরপর মোঃ আনার আলী শেখ অভাব অনাটনের কারনে একই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ জিন্নাত মোড়ল গংদের নিকট বিক্রয় করে। দীর্ঘদিন জিন্নাত মোড়ল গং জমিটি ভগদখল করে একপর্যায় জিন্নাত মোড়ল গংরা সবাই মিলে বিক্রয় করার ঘোষনা দিলে ডুমুরিয়া উপজেলার ৬ নং মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের আরশনগর গ্রামের আবু সাইদ মোল্লা নামে এক ব্যক্তি উক্ত জমিটি ক্রয় করে। বিগত ১৭ বছর ধরে জমিটি ভোগ দখল করে আসছে এমতাবস্থায় আবু সাইদ মোল্লারও নগদ টাকার প্রয়োজন হওয়ায় জমিটি বিক্রয় করার ঘোষনা দেয়। ঘোষনামতে একই উপজেলার আরশনগর গ্রামের মোঃ শাহাদাত হোসেন হালদার জমিটি ক্রয় করার জন্য আবু সাইদ মোল্লাকে নগদ ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ) টাকা বায়না করে। এদিকে দুই উপজেলা শাহাদাত হোসেন হালদারের জমি ক্রয় করার সূত্র ছড়ালে দুই উপজেলার গ্রামের কিছু কুচক্রী মহলের পাঁয়তারায় বিগত ১৯৪৮ সালের একটি পাট্টা দলিলের সার্টিফাই কপি তালা জাতপুর পুলিশ ক্যাম্পে উভয় পক্ষের মিমাংসার শর্তে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মেহেদী রাসেল তার উপস্থিতে বসাবসি হয় এক পর্যায়ে আলাদীপুর গ্রামের হান্নান মোড়ল নামের এক ব্যক্তি ৪৮সালের পাট্টা দলিলের একটি সার্টিফাই কপি বের করেন যার কোন রেকর্ড নাই ও অন্যান্য কাগজ পত্রও নাই। অথচ জমির মালিক দাবি করেন। তবে ডুমুরিয়া উপজেলার আরশনগর গ্রামের শাহাদত হোসেন হালদার এ প্রতিবেদককে জানান তালা উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের মৃত জরিপ শেখের কন্যা লালমতি ওরফে নেলও নামের এই মহিলা বার বার আমার ও আবু সাইদ মোল্লার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ সহ মিথ্যা মামলা ও সাংবাদিকদের ভুলতথ্য দিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করিয়ে আমাদের মানহানি ঘটানো সহ সন্ত্রাসীদ্বারা জমি দখলের হুমকি প্রদান করছে। যদি আমি ওই জমি ক্রয় করি তাহলে আমাকে ২লক্ষ ৫০হাজার টাকা চাঁদা রাশিদা বেগম লালমতি ওরফে নেলও-কে দিতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here