জলবায়ুর বিরুপ প্রভাব ও মানুষ ঘটিত কারনে সাতক্ষীরা জেলা সর্বক্ষেত্রে ঝুকিতে রয়েছে

0
186
আশাশুনিতে ‘জিসিএফ’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখছেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) হাওলাদার মু. রকিবুল বারী।

জলবায়ুর বিরুপ প্রভাব ও মানুষ ঘটিত কারনে
সাতক্ষীরা জেলা সর্বক্ষেত্রে ঝুকিতে রয়েছে
– হাওলাদার মু. রকিবুল বারী
শাহাদাৎ হোসেন টিটল, আশাশুনি (সাতক্ষীরা: প্রতিনিধি: গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) হাওলাদার মু. রকিবুল বারী বলেছেন, জলবায়ুর বিরুপ প্রভাব ও মানুষ ঘটিত কারনে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমালে বিশেষত সাতক্ষীরা জেলায় মানুষ সর্বক্ষেত্রে ঝুকিতে রয়েছে। ঘুণিঝড় সিডর ও আম্পান’র ক্ষতচিহ্ন শেষ না হতেই বুলবুল এবং আম্ফান এ এলাকায় আঘাত হেনেছে। এলাকার মানুষের ঘরবাড়ী, ফসলী জমি, জীবন জীবিকা ও সুপেয় পানীয় জলের ব্যবস্থা একবারেই ভেঙ্গে পড়েছে।
বৃহত এ জনগোষ্টির জলবায়ু সহনশীল জীবিকা ও সুপেয় পানীয় জলের সমাধানে বর্তমান সরকার ‘গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)’ নামে নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আশাকরি অতি দ্রæত এর কার্যক্রম শুরু হলে সমস্য অনেকাংশে লাঘব হবে। এ প্রকল্পটি বিশ্বের মধ্যে প্রথম প্রকল্প, যা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। সোমবার সকারে আশাশুনি এতিমদের জন্য কারিগরি প্রমিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে দিনব্যাপী উপকুলীয় জনগোষ্টির বিশেষত
নারীদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত লবনাক্ততা মোকাবেলায় অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিকরন ‘জিসিএফ’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজার সভাপতিত্বে ও
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরার উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও জাতীয় জিসিএফ প্রকল্পের পরিচালক সাবেক আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মু. ইকবাল হোসেন। তিনি পূর্ব পরিচিত এ এলাকার মানুষের দুঃখ দূর্দশার কথা স্মৃতি চারণ করে
সময়পযোগী এ প্রকল্প হাতে নেয়ার জন্য সরকারে জিসিএফ ও ইউএনডিপি-কে ধন্যবাদ জানান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও গ্রীণ ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)’র যৌথ অর্থায়নে ইউএনডিপি’র সহায়তায় ওয়ার্কশপে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখন ও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী ও
মোসলেমা খাতুন মিলি, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগন, ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, সচিব, মহিলা

ইউপি সদস্য, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী মহিলা ও শিশু বিষযক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ইউএনডিপি প্রতিনিধি, সাংবাদিকবৃন্দ এবং সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত
ছিলেন। প্রকল্প সমন্বয়কারী আলমগীর হোসেন দেশের খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি, শ্যামনগর, দাকোপ ও পাইকগাছা উপজেলার ৩৯ টি ইউনিয়নের নির্ধারিত ১০১টি ওয়ার্ডে বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠির জলবায়ু সহনশীল জীবিকা এবং পানীয় জলের সমাধানের লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরে বাস্তবায়নের জন্য গৃহীত কার্যক্রমের বর্ণনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উল্লেখিত উপজেলা সমূহেপ্রায় ৭১৯২৯২ জন উপকৃত হবে। উপস্থিত ইউপি চেয়ানম্যান, সাংবাদিকবৃন্দ ও শিক্ষকবৃন্দ প্রকল্প নির্ধারনে সমস্যাজনিত এলাকা বাদ যাওয়ায় সেগুলিসহ প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ প্রকল্পের আওতায় অন্তভূক্ত করার অনুরোধ জানান। উপস্থিত সকলে এক বাক্যে কর্মশালাটি মাইলফলক ও প্রকল্প’র কার্যক্রমে সর্বাত্বক সহযোগীতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here