পাইকগাছায় সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের দু’মাস আগেই বোরো ধান-চাল সংগ্রহ লক্ষমাত্রা অর্জন

0
164

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥ পাইকগাছায় বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান নিদৃষ্ট সময়ের আড়াই মাস আগেই শত ভাগ সফল হয়েছে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়,চলতি বোরো মৌসুমে সরকার পাইকগাছায় ৬৭২ মেট্রিক টন ধান, ১৪১.৫৭০ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষমাত্রা বেঁধে দেয়। খাদ্য অধিদপ্তর ২৮ এপ্রিল থেকে ধান,৭ মে থেকে চাল সংগ্রহের পরিপত্র জারী করে। ২৪ মে হতে ১৬ আগষ্টের মধ্যে ধান ও চাল সংগ্রহের সময় সীমা বেঁধে দেয়া হয়। যা ১৯ জুনের মধ্যে শতভাগ ক্রয় সম্পন্ন হয় বলে জানান কর্মকর্তা শিবুপদ ঘোষ।তিনি আরও বলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী’র পরামর্শে ধান ও চাল সংগ্রহের আগে কৃষক ও মিলারদের সাথে বৈঠক করেন। নিদৃষ্ট সময় থেকে কৃষকদের নিকট থেকে ২৭ টাকা কেজি বা ২৭ হাজার টাকা প্রতি টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। চাল ৪০ টাকা কেজি ১ হাজার ৬শ টাকা মন দরে চাল বিক্রয়ের জন্য ৮ জন মিলার চুক্তিবদ্ধ হন। এর মধ্যে ভদ্র রাইসমিল ১৫.৯০০ মেট্রিক টন, নিউ সুন্দর বন চাল কল ১৪.৭০০ মেট্রিক টন, শীল রাইস ১২.৩৩০ মেট্রিকটন, দাশ রাইস ১১.৯৪০ মেট্রিকটন,সাধু রাইস ১৩.৯২০,গাজী অটো ২৮.২৩০ মেট্রিক টন, গাজী ট্রেডার্স ২৫.৮৬০ মেট্রিক টন, ও তপন বিশ্বকর্মা রাইস ১৮.৬৯০ মেট্রিক টন চাল গুদামে চুক্তি অনুযায়ী দিয়েছেন। এদিকে উপজেলার পুরাইকাটী গ্রামের কৃষক আঃ রশিদ জানায়, এ বছর বোরো ধান ভালো হয়েছে, পোকামাক ও বৃষ্টিতে তেমন নষ্ট হয়নি। আমি গুদমে অনেকের মত ধান বিক্রি করেছি। খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা জানান এ বছর সরাসরি স্থানীয় কৃষকের নিকট থেকে ধান মিলারদের কাছ থেকে চাল কেনা হয়েছে। ফলে ৩১ আগষ্ট নয় ১৯ জুনের মধ্যে সফল করা সম্ভব হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, সরাসরি কৃষকদের সাথে যোগাযোগ ও মিলারদের সাথে সমন্বয় করায় সরকারের বেঁধে দেয়া সময়ের আগেই ধান – চাল সংগ্রহে লক্ষ মাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here