কয়রায় ছাত্রলীগ নেতা কে কুপিয়ে জখম, বিক্ষোভ মিছিল, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মৃতি সংসদ ভাঙচুর দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

0
147

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি, কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আল-আমিন হোসেন (30) কে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা । 7 আগস্ট শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের বড় ব্রিজের ওপর সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তার চিৎকারে গ্রামবাসী জড়ো হয়ে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া দিলে জখম অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা সন্ত্রাসী লাল মিয়া (26) কে ধরে কয়রা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। মুমূর্ষ অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে। খবর পেয়ে কয়রা থানার ওসি মোঃ রবিউল হোসেন তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এদিকে ছাত্রলীগ নেতা আলামিন হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে রোববার বেলা 10 টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে কয়রা উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অপরদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই রাতে উপজেলার হায়াত খালি বাজারে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মৃতি সংসদ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও মহারাজপুর ইউপির নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ আট আগস্ট রোববার বেলা 11 টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাব সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দাবি করেন। এ ব্যাপারে কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম মহসিন রেজা তাৎক্ষণিক এক বিবৃতিতে জানান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মৃতি সংসদ ভাংচুরের ঘটনা সম্পূর্ণ বানোয়াট বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আলামিন কে হত্যাচেষ্টার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মৃতি সংসদ ভাঙচরের মিথ্যা অজুহাত তুলছে, তাছাড়া বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মৃতি সংসদ আছে এটা উপজেলা আওয়ামী লীগের জানা নেই আর এ ধরনের সংগঠন করতে গেলে শেখ পরিবারের অনুমতি প্রয়োজন হয় এবং তা উপজেলা আওয়ামী লীগকে অবগত করা উচিত। আমার জানামতে এ ধরনের ভুয়া সাইন বোর্ড ব্যবহার করে মাদক চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকে এসব অপকর্ম ঢাকতে একটি সাইনবোর্ড তুলে দিয়ে এবং তারা নিজেরা ভাঙচুর করে আলামিন হত্যাচেষ্টা কে আড়াল করা সহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। তিনি উক্ত মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ছাত্রলীগ নেতা আলামিনের ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানান, কয়রা থানার ওসি মোহাম্মদ রবিউল হোসেন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here