নড়াইলের লোহাগড়া বাজারে জোর করে একটি দোকান দখলের প্রতিবাদে আড়াই ঘণ্টা ধরে দোকান-পাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেন ব্যবসায়ীরা

0
142

মোঃ বুলবুল মোল্যা ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি ঃ নড়াইলের লোহাগড়া বাজারে জোর করে একটি দোকান দখলের প্রতিবাদে আড়াই ঘণ্টা ধরে দোকান-পাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেন ব্যবসায়ীরা। সোমবার (১৬আগষ্ট) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত চলে এ ধর্মঘট। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে।
ব্যাবসায়ীরা জানান, সোমবার সকালে বণিক সমিতির পক্ষ থেকে মাইকিং করে দোকান-পাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বাজারের একটি দোকানের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে লোহাগড়া পৌর এলাকার লক্ষীপাশা গ্রামের কাবেরি সুলতানা ও হোসনেয়ারা পারভীনের সঙ্গে জয়পুর ইউনিয়নের চাচই গ্রামের গোলাম মোস্তফার বিরোধ চলে আসছিলো। উভয়ই এর মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। হঠাৎ করে গত রোববার সন্ধ্যায় গোলাম মোস্তফার পক্ষে কিছু লোকজন দোকানের দখল নেয়।
কাবেরি সুলতানা ও হোসনেয়ারা পারভীন অভিযোগ করে বলেন,এটা তাদের নিজস্ব দাকান, ৩০ থেকে ৪০ বছর ধরে তাদের মালিকানা রয়েছে। সম্প্রতি একটি ভূমিদস্যু চক্র দোকান দখলে নেওয়ার জন্য ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে। তারা গতকাল সন্ধ্যায় দোকান ভাংচুর করে মালামাল লুট করে জোর করে দোকানের দখল নেয়। এর নেতৃত্ব দেন লোহাগড়া বাজার বণিক সমিতির সহসভাপতি আহাদ শিকদার।
তারা জানান, এর আগে বিকেলে থানায় এ নিয়ে বৈঠক হয়। সে বৈঠকে লোহাগড়া থানার ওসি উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকের পরই ওই চক্র সন্ত্রাসী স্টাইলে দোকান দখল করে।
বণিক সমিতির সভাপতি ইবাদত শিকদার জানান, থানায় বৈঠকের পরপরই সেখান থেকে বের হয়ে এসে আহাদ শিকদারের নেতৃতে সন্ত্রাসী স্টাইলে দোকান দখল করে। এর প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা দোকান-পাট বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানায়। পরে ইউএনও মীমাংসার আশ্বাস দিলে ১০টায় ধর্মঘট প্রত্যাহার করে দোকান-পাট খোলা হয়। আদালতের নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত ওই দোকানে কোন পক্ষই যেতে পারবেন না মর্মে ইউএনও নির্দেশ দেন ।
আহাদ শিকদার বলেন, ‘কাগজপত্র গোলাম মোস্তফার পক্ষে। ওসি সাহেবের সাথে থানায় বৈঠক করে দোকান খুলে নিয়েছি। কোনো ভাংচুর বা লুটপাট করা হয় নাই।
লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, ‘থানার বৈঠকে বলেছিলাম এখানে পুলিশের কিছু করার নেই। এখন পুলিশ খুলতেও বলবে না, খুলতে বাধাও দেবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here