যশোরে শিশুশ্রম থেকে ফিরে আসা আরো ১৯ শিশুর পরিবার পেল আয়বৃদ্ধিমূলক সহায়তা

0
117

নিজস্ব প্রতিবেদক শিশুশ্রম থেকে ফিরে আসা যশোর পৌর এলাকার আরো ১৯ শিশুর পরিবারের মাঝে আয়বৃদ্ধিমূলক সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয় হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের জীবনের জন্য প্রকল্পের আওতায় মঙ্গলবার দুপুরে এ উপকরণ বিতরণ করা হয়।
আয়বৃদ্ধিমূলক সহায়ক উপকরণের মধ্যে প্রতি পরিবারকে ২০ কেজি ওজনের ৫বস্তা চাল, লবন ৫০০ গ্রাম ওজনের ১০০ প্যাকেট, চিনি ৫০০ গ্রাম ওজনের ১০০ প্যাকেট, সয়াবিন তেল ২ লিটার বোতল ৩০টি, চিড়া এক কেজি ওজনের ৮০ প্যাকেট, মুসুরির ডাল ২ কেজি ২৫ গ্রাম ওজনের ৩০ প্যাকেট।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পরিচালিত শিশুবান্ধব শিখন ও বিনোদন কেন্দ্রের (সিএফএলআরসি) সুবিধাভোগী এদিন আরো ১৯ শিশুদের পরিবারের মাঝে এ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
এ নিয়ে ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৫০ এমন শিশুদের পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী মুদিখানা দোকানের জন্য পরিবারপ্রতি মুদি মালামাল, কিছু পরিবারের জন্য চা-পানের দোকানের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ এবং কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কিছু পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিনসহ ছিট কাপড়, থি-পিস, শাড়ি, লুঙ্গি বিতরণ করা হয়।
যশোর রবীন্দ্রনাথ সড়কের (আরএন রোড) নলডাঙ্গা ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কলকারথানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদশৃন অধিদপ্ত যশোরের সহকারী মহাপরিদর্শক (সাধারণ) রাজু আহমেদ। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল হাসান। সভাপতিত্ব ও এ আয়োজনের সমন্বয় করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ যশোরের জীবনের জন্য প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার জাকিয়া সুলতানা।
উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর রোকেয়া পারভীন ডলি ও নাসিমা আক্তার জলি, নলডাঙ্গা সিএফএলআরসিয়ের সভাপতি মনিরুল হুদা খান, সাধারণ সম্পাদক সিরাজ খান প্রমুখ।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ যশোরের জীবনের জন্য প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার জাকিয়া সুলতানা জানান, শিশুশ্রম প্রতিরোধ ও ঝুঁকি কমিয়ে শিশু সরক্ষা নিশ্চিত করতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ‘জীবনের জন্য’ নামক একটি প্রকল্প যশোর সদর উপজেলায় বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে নলডাঙ্গা ও বকচর ‘শিশুবান্ধব শিখন ও বিনোদন কেন্দ্র’ পরিচালনা করছে। এ দুই কেন্দ্রে ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশু যারা শিশুশ্রমের ঝুঁকিতে আছে এবং ৬ বছরের উর্দ্ধে যারা শিশুশ্রমের সাথে জড়িত শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়া হয়। এসব শিশুরা হত দরিদ্র হওয়ায় শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে আয়বৃদ্ধিমূলক সহায়তা হিসেবে মুদি ব্যবসা করার জন্য এ সহায়তা উপকরণ বিতরণের এমন উদ্যোগ। ওয়ার্ল্ড ভিশনের এ উদ্যোগে ওই সকল সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পারিবারিক জীবনে কল্যাণ সাধন ও প্রকল্পের লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, এ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here