উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি কেশবপুরের গৌরিঘোনায়ঃ ভদ্রানদীর উপর ব্রিজ নির্মাণের দাবি এলাবাসীর!

0
175

শেখ আব্দুল মজিদ, চুকনগর। অবহেলিত বঞ্চিত একটি গ্রাম গৌরিঘোনা দক্ষিণ পাড়া। যেখানে দীর্ঘদিনও উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। কেশবপুরের গৌরিঘোনা- ডুমুরিয়ার কাঁঠালতলায় ভদ্রানদীর উপর অবস্থিত সাঁকোটি ভেঙ্গে গিয়ে পারাপার চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এমন বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হলেও যেন বিষয়টি দেখার কেউ নেই!
যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়া এবং ডুমুরিয়ার সীমান্তের কাঁঠালতলা সংলগ্ন গৌরিঘোনা এলাকায় ।
প্রত্যান্ত এ জনপদের মানুষ সরকারের প্রদত্ত গ্রাম্য অবকাঠামোর উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের। যেখানে গ্রাম্য রাস্তা ঘাটের ৮০ শতাংশ রয়েছে কাঁচা। রাস্তায় এখনও রয়েছে হাঁটু কাঁদা-পানি।
তাছাড়া সাধারণ মানুষের পারাপার হতে ভদ্রানদীর উপর অবস্থিত সাঁকোটি ভেঙ্গে গিয়ে চরম ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হলেও যেনো বিষয়টি দেখার কেউ নেই?
সরেজমিনে দেখা যায়, স্বেচ্ছা শ্রমের মাধ্যমে স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে সাঁকোটি সংস্কারের করছেন।
কিন্তু সরকারি কোন সহযোগিতা মেলেনি ওই সাঁকোটি সংস্কারে।
গৌরিঘোনা ইউনিয়নের ভরতভায়না, কসেমপুর, গৌরিঘোনা, আগরহাটি, গৌরিঘোনা দক্ষিণ পাড়া সহ ৮/১০ টি গ্রামের সাধারণ মানুষের যাতায়াতে পারাপার হন গৌরিঘোনা – কাঁঠালতলা সাঁকো দিয়ে। কিন্তু দীর্ঘদিন সাঁকোটি সংস্কারের অভাবে ভেঙ্গে গিয়ে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়ে সাধারণ মানুষ পারাপার হওয়া চরম ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
দীর্ঘদিন যাবৎ এমন বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হলেও সাঁকো টি সংস্কারের জন্য আজও সরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসির অভিযোগ জন প্রতিনিধিদের নজরে আসেনি।
ফলে জরাজীর্ণ এ সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ ও পারাপার হয় জীবনের ঝুকিনিয়ে। এছাড়া স্কুল কলেজ গামি শিক্ষার্থী, কৃষি প্রধান এ এলাকর কৃষকের উৎপাদিত ফসল বাজার জাত করতে ঝুকিপূর্ণ ভাবে পারাপার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় , কিংকর মজুমদার , আব্দুস সামাদ, পলাশ মল্লিক, অপূর্ব কুমার মল্লিক, রমেশ দাশ, গৌতম মল্লিক, আনন্দ কুমার মল্লিকসহ এলাকাবাসী জানান, প্রত্যান্ত এ জনপদের মানুষ আমরা গ্রাম্য অবকাঠামো উন্নয়নে বঞ্চিত রয়েছি। ভদ্রানদীর উপর সাঁকোটি জরাজীর্ণ সহ এলাকার অধিকাংশ রাস্তা ঘাট এখনও কাঁচা রয়েছে। সামন্য বৃষ্টিতে এলাকার সমগ্র রাস্তায় হাঁটু কাঁদা হয়।
আর কাঁচা ওই রাস্তায় এখনও রয়েছে কাঁদা । ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ঝুকিপূর্ণ সাঁকোটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন,স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট উধর্ধতন কতৃপক্ষের নিকট।
গৌরিঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, জনদূর্ভোগ লাঘবে গুরত্বপূর্ণ সাঁকোটির স্থলে স্থায়ীভাবে ব্রিজ নির্ণানের জন্য কেশবপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তর কার্যলয়ে আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি কতৃপক্ষ প্রকল্প তৈরি পূর্বক সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করবেন।
এ প্রসংগে কেশবপুর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানানাই।
খোজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here