দেবহাটায় খলিশাখালী ভুমিহীন জনপদে ভুমিহীনরা শক্ত অবস্থানে উচ্ছেদ হওয়া জমির মালিকদের প্রশাসনের দারে দৌড় ঝাপ।

0
6

আবুল হাসান, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ- সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার খলিশাখালীর ১৩শত বিঘা বিলান জমি ও মৎস্য ঘের খলিশাখালীর আশপাশ্ এলাকার কয়েকশত ভুমিহীন গত ১১ই সেপ্টেম্বর ভোরবেলা দখল করে নেয়। এ নিয়ে অত্র এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, বেলা ১২টায় সাংবাদিকের একটি টিম সরোজমিনে ভুমিহীন জনপদ দেখার জন্য সেখানে গমন করেন। সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভূমিহীনরা ছোট ছোট খুবরী ঘর তৈরী করে স্বপরিবারের সেখানে অবস্থান নিয়েছেন এবং দিনরাত পালাক্রমে শতাধিক ভুমিহীন তাদের দখলকৃত জমি পাহারারত আছে। একই সাথে দেখাগেছে বিভিন্ন দাবী দাবা সম্বলিত ব্যানার নিয়ে মিছিল ও মানব বন্ধন করতে দেখা গেছে। সূত্র মতে ১৯৪৭ সালে জমির সি এস মালিক ঈশ্বরচন্দ্র ঘোষের ছেলে চন্ডিচরণ ঘোষ খলিশাখালী ৪৩৯.২০ একর (১৩০০) বিঘা জমি প্রজাদের জন্য ফেলে রেখে ভারতে চলে যায় এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। আইন অনুযায়ী ঐ সব সম্পাতি সরকারের অনুকুলে চলে যায়। এদিকে উচ্ছেদ হওয়া ঘের মালিকরা তাদের জমি দখলে নিতে বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে দৌড়ঝাপ শুরু করেছে। এ বিষয়ে ভুমিহীন জনপদের নেতা আনিছুর রহমান (৬০) সাংবাদিকদের বলেন- গতবছর সাপমারা খাল পূণঃ খননকালে দুইপারের শত শত পরিবার আমরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছি এছাড়াও বিভিন্ন সময় প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে আমরা ১০ হাজার পরিবার আশ্রায়হীন হয়ে পড়েছি। আমাদের মাথা গোজার কোন ঠায় নাই অথচ হাজার হাজার বিঘা সরকারী জমি জাল জালিয়াতি করে ভুমিদুস্যরা ভোগ দখল আসছিল তারই অধিকাংশ আজ ে কাটি পোতি। সেজন্য ঐ সব ভুমিদুস্যদের উৎখাত করে আমরা প্রকৃতি ভুমীহিনরা ঐক্যবদ্ধভাবে এখানে ৎঅবস্থান নিয়েছে । এই খাসজমি ভুমিহীনদের নামে বন্টনের জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহযোগীতা কামনা করছি। অপরদিকে সদ্য উচ্ছেদ হওয়া জমির মালিকদের প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান এই জমি বিনিময় সূত্র ৪৭৬ একর জমি কাজী আব্দুল মালেক মালিক হন। তিনি ঐ জমির ১০১ একর রেখে জমিতে বসবাসকারী বাকী জমি প্রজাদেরকে রেকর্ড করিয় দেন। পরবর্তীতে ডি, এস রেকর্ডের ৩০০ জন মালিকের ৪৩৯ একর কুড়ি শতক জমি হাল রেকর্ড করেন। সেই থেকে আমরা জমির মালিক। আমাদের দাবী ভুমিহীনরা সন্ত্রাসী নিয়ে গার জোর করে দখল করে নিয়েছে। আমরা প্রশাসনের সহযোগীতায় উচ্ছেদ হওয়া আমাদের জমি ফেরত পেতে চাই।
এ বিষয়ে দেবহাটা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন- আমরা বিষয়টি নিয়ে উদ্ধর্তন কৃর্তপক্ষকে অবহিত করেছি এবং আমরা পুরো এলাকা নজদারিতে রেখেছি যাতে আইন শৃঙ্খলার কোন বত্যয় না ঘটে সে দিকে নজর রেখেছি। খলসিখালী সফরে সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সিনিয়র সাংবাদিক ও দেবহাটা প্রেসকাবের একাংশের সভাপতি রশীদুল আলম রশিদ, সিনিয়র সাংবাদিক কাদের মহিউদ্দীন, সাংবাদিক লিটন ঘোষ বাপ্পী, সাংবাদিক আবুল হাসান প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here