প্রতারণা কালীন যশোরের আদালতে মহুরীকে উত্তম-মধ্যম

0
68

মালিকুজ্জামান কাকা, যশোর : প্রতারণা করার সময় আইনজীবি সহকারিকে উত্তম-মধ্যম দেওয়া হয়েছে যশোরের আদালত প্রাঙ্গনে। এখনই ১০ হাজার টাকা দেন আপনার ভাইকে ছাড়িয়ে দিচ্ছি একথা বলে প্রতারণা করতে গিয়ে আইনজীবিদের কাছে উত্তম-মধ্যম খেয়েছেন আব্দুল কাদের নামে যশোরের ঐ আইনজীবী সহকারি। বুধবার দুপুরে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে আইনজীবিরা ুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ আইনজীবিরা কাদেরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন। এ বিষয়ে জেলা আইনজীবি সমিতির সদস্য সৈয়দ কবীর হোসেন জনি বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর যশোর সদর উপজেলার ঝাউদিয়া উত্তরপাড়ার মৃত খলিল বিশ্বাসের ছেলে ফিরোজ বিশ্বাস ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক হয়। মামলা নং (জি আর- ৯৭০/২১)। তাকে জামিনের জন্যে আইনজীবি জনিকে পাওয়ার দেন। বুধবার জামিন শুনানির দিন ধার্য্য ছিল। এদিন দুপুরে ফিরোজের ভাই আদালতে আসলে কাদের মহুরী তাকে জামিন করার জন্যে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। অন্য আইনজীবী জামিনের চেষ্টা করছে জানালেও তাকে বিভিন্ন ভাবে নাজেহাল করতে থাকেন তিনি। পরে ঘটনাস্থলে হাজির হন জনির জুনিয়র আইনজীবি সাদ্দাম হোসেন। এসময় সাদ্দামের সাথেও খারাপ ব্যবহার করেন কাদেও মহুরী। এরপর জনি নিজে ঘটনা স্থলে আসেন। গোলযোগের সংবাদ শুনে সিনিয়র আইনজীবিরাও ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তখন। প্রথমের মেটানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে, সব শেষে আইনজীবিরা কাদের মহুরীকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে আদালত চত্বর থেকে বের করে দেন। এ বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি কাজী ফরিদুল ইসলাম বলেন, কাদেরের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। বিশেষ করে হাজতখানা থেকে আসামি ও তার স্বজনদের সাথে অশোভন আচরণ ও আইনজীবীদের অসম্মান করেন এই কাদেও মহুরী। এর আগে একাধিক আইনজীবী কাদেরের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন। পরে ফরিদুল ইসলাম নিজে আইনজীবি সহকারি কাদেরকে ডেকে সতর্ক করেন। কিন্তু তার কোন পরিবর্তন হয়নি। লিখিত অভিযোগ আসলেই তার বিরুদ্ধে অ্যাকশানে নামা হবে বলে জানান ফরিদুল ইসলাম। আইনজীবি সহকারি আব্দুল কাদের তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি উল্টো আইনজীবিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন এক ঝুঁড়ি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here