মহেশপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান যৌতুকের অত্যাচারে ঘরছাড়া

0
123

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) অফিস ঃ মহেশপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার মেয়েকে যৌতুকের দাবীতে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে তার পাষন্ড স্বামী। উপায় না পেয়ে অসহায় মেয়েটি শিশু সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে উঠেছে। জানা যায়,উপজেলার সামন্তা চারাতলাপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ আলীর মেয়ে শারমিন আক্তারের সঙ্গে ২০১৫ সালে একই জেলার কালীগঞ্জ থানার তালেশ্বার গ্রামের দাউদ হোসেনের ছেলে রানা আলীর বিয়ে হয়। তাদের একটি তিন বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর শারমিনের পিতা রানা আলীকে যৌতুক হিসেবে নগদ টাকা,স্বর্ণালংকার ও ফার্ণিচার সহ প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা প্রদান করে। ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় রানা ও তার মা-বাবা আবারো পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। শারমিন যৌতুক দিতে অস্বীকার করলে রানা ও তার মা-বাবা একত্রিত হয়ে শারমিনকে মারধর করেন। শারমিন বলেন, আমার স্বামী ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ি শরিয়ত বিরোধী শিরকী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত এবং ভন্ড পীর বাবা ভক্ত, নেশাগ্রস্থ, মাদক ব্যবসায়ী ও যৌতুক লোভী। আমার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি যৌতুকের টাকার জন্য আমাকে মারধর করে ঘরে আটকে রাখে। আমার বাবা মা যৌতুক দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে আমার স্বামী আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। বর্তমানে শারমিন তার শিশু কন্যাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ভিকটিম শারমিনের অভিযোগ, যৌতুকের দাবিতে রানা আমাকে অমানুষিক শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করে সমস্ত শরীর তবিত করে দিয়েছে। সে আরো জানায়,যৌতুকের দাবীকৃত পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে দ্রুত তার বাড়িতে না গেলে আমাকে এসিড নিক্ষেপ করে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করছে। বর্তমানে শারমিন জীবন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ব্যাপারে শারমিন বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ঝিনাইদহ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বলেন,এ বিষয়ে অভিযোগ পাওযা গেছে। দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here