নড়াইলে কলোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহারিয়ার আলম মুক্তর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

0
125

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহারিয়ার আলম মুক্তর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। তার খামখেয়ালিপনা অনিয়ম দূর্নীতি সেচ্ছাচারিতা শালিস বৈঠক করে টাকা নেওয়া সহ দলের নাম ভাঙ্গিয়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় একাধিক অভিযোগ সাংবাদিকদের হাতে এসে পৌঁছেছে। যানা গেছে কলোড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আশিষ কুমার বিশ্বাসের ব- দৌলতে জন শুন্যএই মুক্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়। সভাপতি হয়ে নিজেকে বিরাট ক্ষমতাশালী নেতা দাবি করে ইউনিয়নে জাহির করছেন। এলাকার দূর্বল সাধারণ মানুষদের নানা ভাবে প্রতারিত করছে। আর এই সব অপকর্মের সহযোগিতা করছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণত সম্পাদক উৎপল। যে উৎপলের ইউনিয়নে ভূমি দস্যু হিসাবে বহুল পরিচিত রয়েছে। সম্প্রতি সময়ে , কৃষ্ণ লতা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২ টি নিয়োগে ২০ লাখ টাকা ঘুষ বানিজ্যিের বিষয়ে এলাকায় আলোচনা সমালোচনা ঝড় বইছে। স্থানীয়রা জানান, কৃষ্ণ লতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগে ঘুষ দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে যানা গেছে সদর উপজেলার সুরাজ মল্লিক ও সুমন বিশ্বাস নামে দুই জনের নিকট থেকে ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে অফিস সহায়ক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে চাকরি দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ পরিক্ষার আগে প্রধান শিক্ষক সমির কুমার গোলদার ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহারিয়ার আলম মুক্ত এদের দুই জনের নিকট হতে ১০ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা চুক্তি হয়। অগ্রিম দেওয়া হয় ৫ লাখ টাকা করে ১০ লাখ টাকা। চুক্তি মোতাবেক নিয়োগ পরিক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করানো হয়৷ নিয়োগ পরিক্ষার পর পর পাস হয়ে যাওয়ার সাথে বাকি ৫ লাখ টাকা করে ১০ লাখ টাকা তুলে দেন বিদ্যালয়ের সভাপতি মুক্তর কাছে। খুশি মনে নিয়োগ পরিক্ষার ফলাফল শীটে ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে দেন প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি । সম্মানি নেওয়ার নামে মোটা অংকের ঘুষ পেয়ে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য কর্মকর্তারাও আনন্দচিত্তে নিয়োগ সংশ্লিষ্ট কাগজ পত্রে সাক্ষর দেন।নিয়োগ পরিক্ষার দিনেই সর্বত্র যানাযানি হয়ে যায় ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে ২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সুরাজ মল্লিকের নিকট হতে ১০ লাখ এবং সুমন বিশ্বাসের নিকট হতে ১০ লাখ মোট ২০ লাখ টাকায় ২ টি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যানা গেছে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার আগে এদের সাথে চুক্তি করা হয়েছিল। তাই পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে করোনাকালীন সময়ে পত্রিকায় বিগপ্তি প্রকাশ করা হয়। যার কারনে কঠোর লকডাউনে ঘর থেকে বের হতে না পেরে অনেকে আবেদন করতে পারিনি। এই সুযোগে নিজেদের খামখেয়ালীমত নিয়োগ বোর্ড গঠন করে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমির গোলদার জানান, নিয়োগের কোন টাকা আমি হাতে করে নি নাই। সব টাকা সভাপতি নিয়েছে।
বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহারিয়ার আলম মুক্ত বলেন, সামান্য কিছু টাকা নেওয়া হয়েছে। এ টাকা নিয়োগ বোর্ডের কর্মকর্তাদের দেওয়া লাগে।
স্থানীয় সচেতন মহল কৃষ্ণ লতা বালিকা বিদ্যালয়ের মত সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানের এহেন নিয়োগ বানিজ্য কোন ভাবে মেনে নিতে পারছে না। এই নিয়ে এলাকায় ধূম্রজাল সৃস্টি হয়েছে। এলাকাবাসী এহেন নিয়োগ বাতিল পূর্বক মেধাবীদের নিয়োগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here