দুর্গাপুজো উপলক্ষে যশোরের ১৪৬টি মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান

0
31

স্টাফ রিপোর্টার : শারদীয় দুর্গাপুজো উপলে যশোরের আট উপজেলার ১৪৬টি মন্দির পেল প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান। এ উপলক্ষে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসন যশোরের আয়োজনে রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স¦পন ভাট্টাচার্য্য চাঁদ এমপি।
এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি শ্যামল সরকার। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসীম কুণ্ডু, সাধারণ সম্পাদক যোগেশ চন্দ্র দত্ত, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ কুমার অধিকারী ও প্রেসকাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন। সঞ্চালনা করেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট অর্ন্তভুক্ত মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিা কার্যক্রম প্রকল্পের সহকারী উপপরিচালক চৈতী মহলদার।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী স¦পন ভাট্টাচার্য্য চাঁদ এমপি বলেন, আমাদের দেশ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ, এদেশ ধর্মনিরপে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে বসবাসরত প্রত্যেক জনগোষ্ঠীর ধর্মীয়, সামাজিক ও সকল েেত্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। তিনি এদেশে প্রত্যেক মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে তার ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারে সে ল্েয সহযোগিতা প্রদান করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এ অনুদান প্রদান করা হল।
তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন না হলে আমরা আজ এভাবে উৎসব আমেজে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করতে পারি। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে তখন সকল ধর্মের মানুষ ভাল থাকে। আওয়ামী লীগ আমলেই মানুষের জীবনমান উন্নয়ন হয়। সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।
সভা থেকে বৈশি^ক মহামারি করোনার কারণে এ উৎসব পালনে সরকারি নির্দেশনা ও জাতীয় পূজা উদযাপন পরিষদের ২৬ দফা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট সূত্রে জানা গেছে- যশোর সদর উপজেলার ৪২টি মন্দিরের জন্য দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা, কেশবপুর উপজেলার ৩৬টি মন্দিরের জন্য এক লাখ ৬৮ হাজার, মণিরামপুর উপজেলার ২২টি মন্দিরের জন্য ৯২ হাজার টাকা, অভয়নগর উপজেলার ১৪টি মন্দিরের জন্য ৭০ হাজার টাকা, বাঘারপাড়া উপজেলার ১০টি ও চৌগাছা উপজেলার ১০টি মন্দিরের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে এক লাখ টাকা, শার্শা উপজেলার ৭টি মন্দিরের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং ঝিকরগাছা উপজেলার ৫টি মন্দিরের জন্য ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here