বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকদের বোর্ড অফিস ঘেরাও

0
19

স্টাফ রিপোর্টার : আন্দোলন শুরু হয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজে। বকেয়া বেতনের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে শিক্ষক কর্মচারীরা বিভিন্ন উপায়ে প্রতিবাদ ও আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তারই অংশ হিসেবে গতকাল বোরবার বেলা ১২টার দিকে শিক্ষকরা যশোর শিক।সা বোর্ডেও চেয়ারম্যানের কার্যালয় ঘেরাও করে। কিন্তু সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান সাড়া না দেওয়ায় আগামীতে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। প্রয়োজনে কলেজের কাস বর্জন করা হবে বলেও হুশিয়ারি প্রদান করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক কর্মচারীরা। এদিকে দীর্ঘ দিন বেতন ভাতা না পেয়ে মানবিক জীবন যানপন করছেন অনেকেই। বিশেষ করে নি¤œ বেতনভূক্ত কর্মচারীদের অনেকেই বেতন ভাতা না পাওয়ায় কলেজ টাইমের পরে রিকসা ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তারপরও কলেজ কর্তৃপক্ষের বেতন ভাতা প্রদানে অনিহার কারনে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান শিক্ষক কর্মচারীরা। এদিকে আসন্ন দূর্গাপুজার আগে বকেয়া বেতন ও উৎসব ভাতা না পাওয়ায় কলেজের সনাতন ধর্মাম্বলী শিক্ষক কর্মচারীরা এক প্রকার ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কলেজের অধ্যক্ষ কল্যান সরকার বলেন, অর্থনৈতিক সংকটের কারনে গত তিন মাস শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইতিমধ্যে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। লিখিত আবেদনও জমা দিয়েছি। খুব শীঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি। তিনি সাময়িক অসুবিধার জন্য সকল স্টাফকে ধৈয্য ধরার পরামর্শ দেন।
মান সম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ২০০৭ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ডের অর্থায়নে ২০০৭ নতুন উপশহরের ই বøক ও এফ বøকের মাঝখানে এক মনোরম পরিবেশে যশোর শিক্ষা বোড মডেল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন সময়ের শিক্ষা সচিব যশোরের কৃতি সন্তান এন আই খানের একান্ত ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে যশোরের মানুষের কাছে একটি প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রুপ নেয়। পর্যায়ক্রমে সরকারের আনুকুল্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নান্দনিক ভবন তৈরী হয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্ব শরীরে উপস্থিত থেকে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নব নির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন। যশোরের আরেক এক কৃতি সন্তান অধ্যাপক আমিরুল আলম খান বোর্ডেও সচিব ও পরবর্তীতে চেয়ারম্যান থাকা কালে বোর্ড স্কুল এন্ড কলেজের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। এক পর্যায়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিবকে সভাপতি ও যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসককে সহসভাপতি সহ সভাপতি এবং স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষকে সদস্য সচিব কওে একটি গভার্নিং বডি গঠন করা হয়। সেই থেকে অদ্যাবধি এই নিয়মেই কলেজটি পরিচালিত হচ্ছে। এক পর্যায়ে গত ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর তারিখে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব লুৎফুন নাহার স্বাক্ষরিত ৩৭.০০.০০০০.০৭১.১৮.০০২.১৭(অংশ-৩) -১২২৭ নম্বর স্বারকে এই স্কুল এন্ড কলেজটি সরকারী করণ করা হয়। ওই পত্রে উল্লেখ করা হয় উক্ত প্রতিষ্ঠানটি যথাযথ ভাবে পরিচালনার জন্য আতœীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষসহ শিক্ষক কর্মচারীগন স্ব স্ব পদে কর্মরত থাকবেন এবং শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ অব্যাহত থাকবে। গত ২০২০ সালের ৮ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব আনোয়ারুল হক স্বাক্ষরিত ৩৭.০০.০০০০.০৯২.১৫.০০৩.১৮-২৬১ নং পত্রে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে জানানো হয়, ১০.১২.২০১৭ তারিখের ৩৭.০০.০০০০.০৭১.১৮.০০২.১৭(অংশ-৩) -১২২৭ নং স্মারকের নির্দেশনার আলোকে যশোর শিক্ষা বোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষসহ শিক্ষক কর্মচারীদের আতœীকরণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বেতন – ভাতার শুধুমাত্র ঘাটতি ব্যয় যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরিশোধ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। কিন্তু শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ মোল্যা আমির হোসেন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওই আদেশ অমান্য করে নিজ ক্ষমতা বলে অধ্যক্ষসহ সকল শিক্ষক কর্মচারীর বেতন গত ৩ মাস বন্ধ করে রেখেছেন বলে শিক্ষক কর্মচারীরা অভিযোগ করেন। ইতিমধ্যে দফায় দফায় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কল্যাণ সরকার বেতন ভাতার ফাইলে অনুমোদনের জন্য বোর্ড চেযারম্যানের কাছে ধর্না দিলেও তিনি রহস্যজনক কারনে তাতে স্বাক্ষর করছেন না। এদিকে দীর্ঘ দিন বেতন ভাতা না পেয়ে কলেজের অধ্যক্ষসহ শিক্ষক কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে জানান শিক্ষক প্রতিনিধি মতিয়ার রহমান ও শাহাজাদা আলী নেওয়াজ । তারা বলেন, গত তিন মাস বেতন ভাতা না পাওয়ার কারনে আমরা ঘরভাড়া দিতে পারছি না। বিদ্যুৎ বিল , গ্যাসের বিল বাকী। ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ দিতে পারছি না। স্বল্প বেতনের কর্মচারীদের অনেকেই জীবন যাপন ব্যয় নির্বাহ করতে কলেজ টাইমের পরে রিকসা ভ্যান চালাচ্ছে। অনেক স্টাফ অসুস্থ্য। তারা অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না। আসন্ন দূর্গা পূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বেতন বোনাস না পাওয়ায় উৎসবের ইমেজ ভাটা পড়ছে। এতো কিছুর পরও শিক্ষা বোর্ডেও চেয়ারম্যানের হৃদয় টলছে না। তিনি তার একক সিদ্ধান্তেই অটল থাকায় আজ আমরা বাধ্য হয়ে চেয়ারম্যানের কার্যালয় ঘেরাওয়ের মধ্য দিয়ে রাজপথের আন্দোলন শুরু করতে বাধ্য হয়েছ্ িপ্রয়োজনে আরো কঠোর আন্দোলনে যেতেও আমরা প্রস্তুত আছি। তার জন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকারেও আমরা রাজি। এদিকে গতকাল প্রায় ৩ ঘন্টা বোর্ড স্কুলের সকল শিক্ষক কর্মচারী বোর্ডেও চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে অবস্থা নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে।
এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কল্যাণ সরকার বলেন, আমি অধ্যক্ষ হিসেবে বেতনের বিল তৈরী কওে বার বার চেয়ারম্যানের দপ্তরে যাচ্ছি আর ফিরে আসছ্ ি। কিন্তু চেয়ারম্যান স্যার বিলের কপিতে স্বাক্ষর করছেন না। ফলে বেতন ভাতা হচ্ছে না। আমার তো কিছু করার নেই।
এ বিষয়ে বোর্ড চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন, যেহেতু কলেজটি সরকারী হয়ে গেছে। সহসাই শিক্ষক কর্মচারীরা নিয়োগ পত্র পাবেন। বেতন ভাতার বকেয়া পাবেন। ফলে বর্তমানে সরকারী বেতন স্কেলে আমি বেতন বিল করে আনার জন্য অধ্যক্ষকে বলেছ্ িকিন্তু তিনি তা না করে চলমান নিয়ম নীতিতে অতিরিক্ত বিল ভাতা তৈরী করে আনছেন। যা যৌক্তিক নয়। ফলে আমি ওই বাড়তি বেতন ভাতার বিলে স্বাক্ষর করতে পারি না।
বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল
স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকদের বোর্ড অফিস ঘেরাও
স্টাফ রিপোর্টার : আন্দোলন শুরু হয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজে। বকেয়া বেতনের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে শিক্ষক কর্মচারীরা বিভিন্ন উপায়ে প্রতিবাদ ও আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তারই অংশ হিসেবে গতকাল বোরবার বেলা ১২টার দিকে শিক্ষকরা যশোর শিক।সা বোর্ডেও চেয়ারম্যানের কার্যালয় ঘেরাও করে। কিন্তু সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান সাড়া না দেওয়ায় আগামীতে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। প্রয়োজনে কলেজের কাস বর্জন করা হবে বলেও হুশিয়ারি প্রদান করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক কর্মচারীরা। এদিকে দীর্ঘ দিন বেতন ভাতা না পেয়ে মানবিক জীবন যানপন করছেন অনেকেই। বিশেষ করে নি¤œ বেতনভূক্ত কর্মচারীদের অনেকেই বেতন ভাতা না পাওয়ায় কলেজ টাইমের পরে রিকসা ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তারপরও কলেজ কর্তৃপক্ষের বেতন ভাতা প্রদানে অনিহার কারনে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান শিক্ষক কর্মচারীরা। এদিকে আসন্ন দূর্গাপুজার আগে বকেয়া বেতন ও উৎসব ভাতা না পাওয়ায় কলেজের সনাতন ধর্মাম্বলী শিক্ষক কর্মচারীরা এক প্রকার ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কলেজের অধ্যক্ষ কল্যান সরকার বলেন, অর্থনৈতিক সংকটের কারনে গত তিন মাস শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইতিমধ্যে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। লিখিত আবেদনও জমা দিয়েছি। খুব শীঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছি। তিনি সাময়িক অসুবিধার জন্য সকল স্টাফকে ধৈয্য ধরার পরামর্শ দেন।
মান সম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ২০০৭ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ডের অর্থায়নে ২০০৭ নতুন উপশহরের ই বøক ও এফ বøকের মাঝখানে এক মনোরম পরিবেশে যশোর শিক্ষা বোড মডেল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন সময়ের শিক্ষা সচিব যশোরের কৃতি সন্তান এন আই খানের একান্ত ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে যশোরের মানুষের কাছে একটি প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রুপ নেয়। পর্যায়ক্রমে সরকারের আনুকুল্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নান্দনিক ভবন তৈরী হয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্ব শরীরে উপস্থিত থেকে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নব নির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন। যশোরের আরেক এক কৃতি সন্তান অধ্যাপক আমিরুল আলম খান বোর্ডেও সচিব ও পরবর্তীতে চেয়ারম্যান থাকা কালে বোর্ড স্কুল এন্ড কলেজের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। এক পর্যায়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিবকে সভাপতি ও যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসককে সহসভাপতি সহ সভাপতি এবং স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষকে সদস্য সচিব কওে একটি গভার্নিং বডি গঠন করা হয়। সেই থেকে অদ্যাবধি এই নিয়মেই কলেজটি পরিচালিত হচ্ছে। এক পর্যায়ে গত ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর তারিখে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব লুৎফুন নাহার স্বাক্ষরিত ৩৭.০০.০০০০.০৭১.১৮.০০২.১৭(অংশ-৩) -১২২৭ নম্বর স্বারকে এই স্কুল এন্ড কলেজটি সরকারী করণ করা হয়। ওই পত্রে উল্লেখ করা হয় উক্ত প্রতিষ্ঠানটি যথাযথ ভাবে পরিচালনার জন্য আতœীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষসহ শিক্ষক কর্মচারীগন স্ব স্ব পদে কর্মরত থাকবেন এবং শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ অব্যাহত থাকবে। গত ২০২০ সালের ৮ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব আনোয়ারুল হক স্বাক্ষরিত ৩৭.০০.০০০০.০৯২.১৫.০০৩.১৮-২৬১ নং পত্রে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে জানানো হয়, ১০.১২.২০১৭ তারিখের ৩৭.০০.০০০০.০৭১.১৮.০০২.১৭(অংশ-৩) -১২২৭ নং স্মারকের নির্দেশনার আলোকে যশোর শিক্ষা বোর্ড সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষসহ শিক্ষক কর্মচারীদের আতœীকরণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বেতন – ভাতার শুধুমাত্র ঘাটতি ব্যয় যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরিশোধ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। কিন্তু শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ মোল্যা আমির হোসেন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ওই আদেশ অমান্য করে নিজ ক্ষমতা বলে অধ্যক্ষসহ সকল শিক্ষক কর্মচারীর বেতন গত ৩ মাস বন্ধ করে রেখেছেন বলে শিক্ষক কর্মচারীরা অভিযোগ করেন। ইতিমধ্যে দফায় দফায় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কল্যাণ সরকার বেতন ভাতার ফাইলে অনুমোদনের জন্য বোর্ড চেযারম্যানের কাছে ধর্না দিলেও তিনি রহস্যজনক কারনে তাতে স্বাক্ষর করছেন না। এদিকে দীর্ঘ দিন বেতন ভাতা না পেয়ে কলেজের অধ্যক্ষসহ শিক্ষক কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে জানান শিক্ষক প্রতিনিধি মতিয়ার রহমান ও শাহাজাদা আলী নেওয়াজ । তারা বলেন, গত তিন মাস বেতন ভাতা না পাওয়ার কারনে আমরা ঘরভাড়া দিতে পারছি না। বিদ্যুৎ বিল , গ্যাসের বিল বাকী। ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ দিতে পারছি না। স্বল্প বেতনের কর্মচারীদের অনেকেই জীবন যাপন ব্যয় নির্বাহ করতে কলেজ টাইমের পরে রিকসা ভ্যান চালাচ্ছে। অনেক স্টাফ অসুস্থ্য। তারা অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না। আসন্ন দূর্গা পূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বেতন বোনাস না পাওয়ায় উৎসবের ইমেজ ভাটা পড়ছে। এতো কিছুর পরও শিক্ষা বোর্ডেও চেয়ারম্যানের হৃদয় টলছে না। তিনি তার একক সিদ্ধান্তেই অটল থাকায় আজ আমরা বাধ্য হয়ে চেয়ারম্যানের কার্যালয় ঘেরাওয়ের মধ্য দিয়ে রাজপথের আন্দোলন শুরু করতে বাধ্য হয়েছ্ িপ্রয়োজনে আরো কঠোর আন্দোলনে যেতেও আমরা প্রস্তুত আছি। তার জন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকারেও আমরা রাজি। এদিকে গতকাল প্রায় ৩ ঘন্টা বোর্ড স্কুলের সকল শিক্ষক কর্মচারী বোর্ডেও চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে অবস্থা নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে।
এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কল্যাণ সরকার বলেন, আমি অধ্যক্ষ হিসেবে বেতনের বিল তৈরী কওে বার বার চেয়ারম্যানের দপ্তরে যাচ্ছি আর ফিরে আসছ্ ি। কিন্তু চেয়ারম্যান স্যার বিলের কপিতে স্বাক্ষর করছেন না। ফলে বেতন ভাতা হচ্ছে না। আমার তো কিছু করার নেই।
এ বিষয়ে বোর্ড চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন, যেহেতু কলেজটি সরকারী হয়ে গেছে। সহসাই শিক্ষক কর্মচারীরা নিয়োগ পত্র পাবেন। বেতন ভাতার বকেয়া পাবেন। ফলে বর্তমানে সরকারী বেতন স্কেলে আমি বেতন বিল করে আনার জন্য অধ্যক্ষকে বলেছ্ িকিন্তু তিনি তা না করে চলমান নিয়ম নীতিতে অতিরিক্ত বিল ভাতা তৈরী করে আনছেন। যা যৌক্তিক নয়। ফলে আমি ওই বাড়তি বেতন ভাতার বিলে স্বাক্ষর করতে পারি না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here