শিমুলিয়ায় স্বতন্ত্র ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হকের উপর হামলায় সংবাদ সম্মেলন

0
120

মালিকুজ্জামান কাকা: দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার একটি ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বতন্ত্র ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। প্রেসকাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন কারী ঐ বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম জহুরুল হক। নৌকা প্রতীক ধারী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর পুত্র ও নাতিরা এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার সহযোগীকে মারধোর করে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসন্মান করেছে বলে তারা অভিযোগ করেছেন। শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ঘটনাটি তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাজাকারের দোসর মতিয়ার রহমান সর্দার কে ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে কিভাবে তিনি তা পেয়েছেন তা প্রশ্নবোধক। সে তার সর্বশেষ চেয়ারম্যান কালীন সময়ে একের পর এক সন্ত্রাস, দূর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। বিপরীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মতিতেই তিনি একই ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী। এর আগেও তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনি গন সংযোগকালে গত ২৮ অক্টোবর বিকালে শিমুলিয়া মিশন পাড়ায় গন সংযোগ কালে মতিয়ার রহমান সর্দারের পুত্র আবু সাঈদের উপর হামলা করে তাদের কে জখম করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এখনো তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়েই মতিয়ার রহমান গং ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে এই অপকর্ম করেছে বলে তিনি মতামত দেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঝিকরগাছা ইউনিয়নের সাবেক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল ওহাব, সাবেক থানা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার একেএম কামরুজ্জামান, আটবারের সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ওলিয়ার রহমান, মুক্তিযুদ্ধ কালীন ফিল্ড কমান্ডার আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার, সাবেক থানা কমান্ডার শাহাজান আলী, আওয়ামীলীগের শিমুলিয়া ইউনিয়ন শাখার প্রচার সম্পাদক আবু সাঈদ। উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হকের উপর হামলা করে বড় ধরনের অন্যায় করেছে মতিয়ার রহমান সর্দার ও তার দোসররা। এরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। সন্ত্রাস ও দূর্নীতি ছাড়া তাদের বলার মত কোন কাজ নেই। অথচ সেই বহু বিতর্কের জন্মদাতা মতিয়ার রহমান কি ভাবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক পেলেন তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। এর থেকেও বড় বিষয় এই দেশবাসির সন্মানের মুক্তিযোদ্ধাদের উপর হামলা করে ঐ সন্ত্রাসীরা নজির বিহীন অপরাধের জন্ম দিয়েছে। তাদের এই অপরাধ কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায়না। এজন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্পক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে শিমুলিয়া ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধার উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঝিকরগাছা উপজেলার আপামর সকলেই। এরা জানান ঝিকরগাছা উপজেলা জুড়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বিস্তৃতি বিস্তারের এক অগ্রগন্য সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক। তাছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান থাকা কালীন তিনি দূর্নীতি করেননি। তিনি একাধারে ত্যাগী ও যোগ্য আওয়ামীলীগ নেতা। তার উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার হওয়া উচিৎ। সেই দাবি ঝিকরগাছাবাসির।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here