ভোট ডাকাতির আশঙ্কায় ডিহি ইউনিয়নের স্বতন্ত্র ৪ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

0
83

স্টাফ রিপোর্টার : সম্প্রতি শেষ হওয়া ঝিকরগাছা উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ভাবিয়ে তুলেছে যশোর জেলার শার্শা উপজেলার ১নং ডিহি ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীদের। সোমবার প্রেসকাব যশোরে এই ইউনিয়ন পরিষদের চার স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোট ডাকাতির সেই আশঙ্কার কথা জানালেন সংবাদ সম্মেলনে। আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী আসাদুজ্জামান মুকুল ও তার নৌকা প্রতীক নিয়েই তাদের যত দুশ্চিন্তা। ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর ইউপি মডেলে ভোট ডাকাতির আতঙ্ক থেকেই এরা এই সংবাদ সম্মেলনটি করেছেন। দুপুর সাড়ে ১২ টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ওবায়দুর রহমান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জলিল, যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসিন আরাফাত। আরেক জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হোসেন আলী ব্যক্তিগত কাজে থাকায় সংবাদ সম্মেলনে হাজির হতে পারেননি বলে জানানো হয়। স্বতন্ত্র তথা আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী ওবায়দুর রহমান একই ডিহি ইউনিয়নের চন্দনপুরের মৃত ইদ্রিস আলী খানের পুত্র। তিনি ১৯৮৪ সাল থেকে যুবলীগের রাজনীতির মাধ্যমে আওয়ামীলীগে সম্পৃক্ত। অপর প্রার্থী সাইদুর রহমান দূর্গাপুরের আব্দুল আনছার আলী খালাসীর পুত্র। আব্দুল জলিল গোকর্নেও শামছুর মন্ডলের পুত্র। ইয়াছিন আরাফাত পন্ডিতপুরের আব্দুস সামাদের পুত্র। এই সকল ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন, নৌকা প্রতীক প্রাপ্ত আসাদুজ্জামান মুকুল ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কমিটির একজন সদস্য মাত্র। আর তারা প্রত্যেকেই শীর্ষ পদধারী। কিন্ত তা সর্ত্ত্বেও তারা নৌকা প্রতীক বঞ্চিত। এই পাশ্ববর্তী ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলা থেকে ভোটের আগের দিন সন্ত্রাসী এনে বোমাবাজি ও অগ্নিকান্ড ঘটিয়ে নৌকার পক্ষে নির্বাচন করা হবে এই অপ প্রচারে রয়েছে মুকুলের লোকজন। একইভাবে পাশ্ববর্তী ভারত থেকে সন্ত্রাসী ভাড়া করার আশঙ্কার কথা জানান সংবাদ সম্মেলনকারিরা। স্বতন্ত্র এই চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জানান, জাতীয় বা উপজেলা নির্বাচনে শার্শা উপজেলা বা সংসদীয় আসনে ভোট কারচুপি হয়নি। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা সেদিকে সজাগ ছিলেন বলেই ঐসব নির্বাচনে ভোট কারচুপি প্রতিরোধ করা গেছে। তবে এখন রাজনীতিতে নানা মেরুকরণ চলছে। তার জের ধরেই নৌকা প্রতীক পেয়ে যাচ্ছে এমন কিছু লোকজন যাদের কখনোই তা পাওয়া উচিৎ নয়। এদিকে ভোট নিয়ে আরো আতঙ্ক ছড়ানোর আরো কারন সম্পর্কে জানা গেছে, ১৪ নভেম্বর নৌকা প্রতীকের একটি নির্বাচনী সভা হয় ডিহি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে। পাকশী বাজারে বিকালের সেই সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে বিএনপি জামায়াত পন্থীদের ভোট মাঠ তথা নির্বাচনী কেন্দ্রে যেতে সরাসরি নিষেধ করা হয়েছে। এটি প্রকাশ্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে সাধারন জনগন। ২৮ নভেম্বর ডিহি ইউনিয়ন পরিষদসহ শার্শা উপজেলার সকল ইউনিয়নে নির্বাচন। ছয়জন চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামীলীগ এর রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। তবে এখানে রাজনীতিতে পদে থেকে স্বতন্ত্র নির্বাচন করায় এখনো বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here