মহম্মদপুরে কাঁশ ফুলের সৌন্দর্য উপভোগে মানুষের ঢল, শরৎ ঋতুর প্রতিক কাঁশ ফুলের সৌন্দর্যে সাজিয়েছে মধুমতির কুল

0
41

মহম্মদপুর (মাগুরা) থেকে : ঋতুচক্রের বর্ষ পরিক্রমায় বর্ষার বিষন্নতা পরিহার করে শরতের আগমন ঘটে। আর শরৎ ঋতুর শুরুতেই কাঁশ ফুলের স্বর্গীয় সৌন্দর্যে নান্দনিক হয়ে উঠেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পূর্বপাশ দিয়ে রয়ে চলা মধুমতির দু’কুল। কাঁশ ফুলের সাঁদা পাঁপড়িতে সাজিয়ে তুলেছে প্রকৃতি। নতুন সাজে সেঁজেছে শরৎ ঋতু। বদলে গেছে উপজেলার পরিবেশ। শরৎ ঋতুর প্রতিক কাঁশ ফুলের দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিনিয়ত মধুমতির কুলে অসে শিশু-কিশোর, বৃদ্ধাসহ নানা শ্রেনিপেশার শতশত মানুষ।
ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতিটি ঋতুই যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। চারিপাশে নানা বর্ণের ফুলে ফুলে ও ফলে ফলে সাজানো। বর্ষা ঋতুর বিদায়লগ্নে এবং শরৎ ঋতুর শুরুতেই ঐতিহ্যে গাথা সাঁদা পাঁপড়িতে নতুন সাজে সেজে ওঠে প্রকৃতি। এতে সাহিত্যিকরা খুজে পায় সাহিত্যের কাব্যিক ভাষা। ছন্দ ও গানের খোরাক যোগায় শিল্পী ও কবিদের। আর ঐতিহ্যপ্রেমীরা মুগ্ধ হয়ে ফুলের দৃষ্টিকাব্য উপভোগ করে থাকে। শেখ হাসিনা সেতু সংলগ্ন মধুমতির পাড়ে গিয়ে দেখা যায়, নদীর দুই ধার ফুলে ফুলে সাঁদা। জীবিকার তাগিদে ডিঙি নৌকায় মাছের সন্ধানে জেলেদের অভিরাম ছুটে চলা। নদীর পাড়ে কৃষকের গরু-ছাগল চরানোর দূশ্য। সোঁনালী আঁশ পাট ধোয়ার কাজে ব্যাস্ত এলাকার কৃষকেরা। দেখা যায় মানুষের নদীতে হাবুডুবু ও সাঁতার কাটা। এ যেন এক অপরুপ স্বর্গীয় সৌন্দর্য। কাঁশ ফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি এসব দূশ্যও উপভোগ করতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা বয়সি শতশত মানুষ আসে মধুমতির কুলে।
পার্শবর্তি বোয়ালমারী উপজেলার সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজের প্রভাষক মোঃ জিহাদুল ইসলাম ঘুরতে এসে জানান, শেখ হাসিনা সেতু ও মধুমতি নদী এক অপরুপ সৌন্দর্যে ভরপুর। তার সাথে শরতের কাঁশ ফুলের দূষ্টিনন্দন সৌন্দর্য বিনোদনের কেন্দ্র হয়েছে উঠেছে। বিভিন্ন এলাকার মানুষ পরিবারসহ এখানে ঘুরতে আসে। আমরাও আশি প্রায়ই।
আমার খুব ভালো লাগছে কাঁশ ফুল দেখতে, আমি ছবি তোলব। এর আগে আশিনি, আব্বুকে বলবো আবার নিয়ে আসতে। এমনিভাবে এই সৌন্দর্য ভালো লাগা প্রকাশ করে ছয় বছর বয়াসের শিশু খালিদ হাসান।
নদীর পাড়ে ফোসকা বিক্রেতা আব্দুর রহিম জানান, সারাদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসে। তবে বিকালে প্রচুর লোক হয়। শেখ হাসিনা ব্রিজ বা নদীর পাশে ফোসকা, বাদাম, চটপটি, আইসক্রিম, পিয়ারাসহ নানা ধরনের মালামাল বিক্রি করে সংসার চলে আমার মতো প্রায় একশ পরিবারের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here