পাইকগাছায় ভড়ভড়িয়া মৌজার জমি নিয়ে দু পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে। দখল নিয়ে চরম উত্তেজনায়

0
39

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় ভড়ভড়িয়া মৌজার একটি জমি নিয়ে দু পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। ধান কাটার মৌসুমে উভয় পক্ষের মধ্যে দখল নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছ। ঘটনাটি উপজেলার রাড়ুলি ইউপির ভড়ভড়ি মৌজার চরভরাটি জায়গায়।
সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধানে ও স্থানীয় ঘের মালিকদের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, উপজেলার রাড়ুলি ইউপির ভড়ভড়িয়া মৌজার এস এ খতিয়ানের জমির মুল মালিক থাকেন মোজাহার গাজী। তার মৃত্যু অন্তে তার ওয়ারেশরা একাধিক ব্যক্তির নিকট জমি বিক্রয় করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে, জমি ওয়াপদার অধিনস্ত হয়ে যায়। কিছু জমি ওয়াপদা কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণ করে। কিন্তু জমির মূল মালিকেরা নালিশী জমিটি হারীর বিনিময়ে স্থানীয় আব্দুল মাজেদ মোড়লের নিকট হস্তান্তর করলে সে কয়েক বছর জমিতে ধান ও মাছ চাষ করেছে। সে ঘের ছেড়ে দীর্ঘ ৭/৮ বছর আগে বিদেশে গেলে, জমির ক্রয় সুত্রে মালিক দাবি করে রাড়ুলি গ্রামের মৃত শহর আলী গাজীর পুত্র সহিলউদ্দীন গাজী মাজেদের পর থেকে উক্ত নালিশী জমি ধান ও মাছ চাষ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করে আসছেন। কিন্তু উক্ত সম্পত্তি তাদের নামে সেটেলমেন্ট জরিপে রেকর্ড না হয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে রেকর্ড হওয়ায় ক্রেতা সহিলউদ্দীন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে রেকর্ড সংশোধনের জন্য দেওয়ানী মামলা দায়ের করেছে। যা চলমান রয়েছে। প্রতিপক্ষ আলিমউদ্দী ও ক্রয় এবং এফ সি ডি আই প্রকল্পের জমি হিসাবে দাবি করেন। এ ঘটনায় ধান্য রোপনের সময় ও পক্ষ প্রতিপক্ষদের মধ্যে মারামারি এমনকি থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়াই। বুধবার সকালে সরেজমিনে গেলে পার্শ্ববর্তী ঘের মালিক ও মূল মালিকের ওয়ারেশ মফিজ মোড়ল জানান,মাজেদ চলে যাওয়ার পর থেকে সহিলউদ্দীন গাজী ৭/৮ বছর ধরে এখানে ধান ও মাছ চাষ করে শান্তিপূর্ণ ভোগদখল করে আসছে। এক বছর আগে থেকে আলিমুদ্দীন তার জমি দাবি করে দখল পাল্টা দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ধান সহিলউদ্দীন রোপন করেছে। আরেক ঘের মালিক রেজাউল সরদার বলেন এখানে সহিলউদ্দীন ভোগদখল করে। এক বছর আগে থেকে মারামারি ও থানা পুলিশ চলছে। হায়দার সরদারের স্ত্রী হালিমা বলেন, এখানে ৭/৮ বছর ধরে সহিলউদ্দীন গাজী ধান ও মাছ চাষ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখলে আছেন। এক বছর আগে থেকে দু পক্ষের মধ্যে মারামারি ও থানা পুলিশ হচ্ছে। এ বছর ধান রোপনের সময় পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যায়। বিকালে জামিন পেয়ে ফিরে এসে আবার ধান রোপণ করে। মৃত আনছার মোড়লের পুত্র লিয়াকত মোরল জানায়, জমি ২/৩ বছর ধরে দখল পাল্টা দখল চলছে। আলিমুদ্দীন পোনা ছাড়ে আর সহিলউদ্দীন মাছ ধরে। ভাবে চলছে জমির অবস্থান।এ তবে কাগজ যার জমি তার। এই নালিশী জমির দক্ষিণ পাশে আলিমুদ্দীনের নামে কিছু জমি রেকর্ড হয়েছে। সর্বশেষ ধানকাটা মৌসুম কে সামনে রেখে উভয়ের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here