১৯৭১ সালে হিন্দু, মুসলমান, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ সাড়ে ৭ কোটি বাঙ্গালী ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল তৃষ্ণার্থ পিপাশার্থ হাজার বছরের শোষন ও নির্যাতন এর বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রামে — আশরাফুল আলম লিটন

0
35

বেনাপোল থেকে এনামুলহকঃযশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর সভার সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছেন, ১৯৭১ সালে হিন্দ,ু মুসলমান, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ সাড়ে ৭ কোটি বাঙ্গালী ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল তৃষ্ণার্থ পিপাশার্থ এক বাঙালী যে বাঙালী হাজার বছরের শোষন ও নির্যাতন এর বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রামে। বিগত ২৪ নভেম্বর জাতির জনক এর কন্যা উন্নয়ন মাতা, মানবতার মা শান্তির কন্যা যশোর এসেছিল। যশোর জেলার একজন নাগরিক হিসাবে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সভানেত্রীকে সন্মান জানানো আমাদের দায়িত্বর মধ্যে পড়ে। সেই আওয়ামীলীগের কর্মী হিসাবে আপনারা প্রধান মন্ত্রীকে ওই দিন সন্মান জানানোর জন্য যশোর গিয়েছিলেন। এদেশের জনগনকে ভালবেসে জননেত্রী নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যে স্বপ্ন তিনি দেখেন সেই স্বপ্ন যেন তিনি শতভাগ পুরুন করে যেতে পারেন। বাংলাদেশের ইতিহাস মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের মুক্তি বাংলাদেশের লড়াই সংগ্রাম বাংলাদেশের উন্নয়ন এর প্রত্যেকটি কথা যখন আমরা সৎ পথে আলোচনা করি সবই শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পক্ষে চলে যাবে। কথাগুলো বললেন গত ২৪ নবেম্বর যশোর স্টেডিয়ামে জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক জনসভা সফল করার উদ্দেশ্য যে সব নেতা কর্মী গিয়েছিলেন সেসব নেতা কর্মীদের নিয়ে মুল্যায়ন সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।
শনিবার বেলা সাড়ে ৪ টার সময় শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ২৪ নবেম্বর যশোর স্টেডিয়ামে জননেত্রী শেখ হাসিনার জনসভা সফল এর মুল্যায়ন সভায় সভাপতিত্ব করেন শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ইলিয়াছ আযম।
প্রধান অতিথি সাবেক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন, আমরা মিথ্যা বলব না আমরা সত্য বলব আপনারা জানেন, স্বাধীন সার্বোভৌম বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যত ঘটনা ঘটেছে তার প্রতিটি লড়াই সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। তাই আজ আমাদের শার্শার মাটিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কারন যারা স্বাধীনতা চায়নি, যারা স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ চায়নি। তারা সকল উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ এর ভুমি কি ভাবে অসন্মানিত হবে এবং কি ভাবে শ্রীলংকার মত বাংলাদেশ হবে সেই প্রতিক্ষায় থাকে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। এসব এন্ট্রি আওয়ামীলীগদের প্রতি সজাগ থাকতে হবে। তারা রেমিটেস যোদ্ধাদের নিস্ক্রিয় করার অপচেষ্টা করছে তারা যেন বাংলাদেশে টাকা না পাঠায় এই হচ্ছে তাদের চিন্তা চেতনা।
তিনি বলেন, ৯ মাস মুক্তি যোদ্ধা, ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ট জাতির জনক এর পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা ২১ আগষ্ট’র গ্রেনেট হামলা ৩ নভেম্বর জাতিয় ৪ নেতাকে জেলখানায় হত্যা আর হাজার হাজার গনতান্ত্রিক মানুষকে হত্যা জনপ্রিয় মানুষকে হত্যা এর সব কিছুর মিল রয়েছে। এরা একটি ধারাবাহিক ছকের মধ্যে রয়েছে। রাষ্ট্রের অগ্রগতি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ওদের কষ্টের কারন। জাতিয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যেমে বাংলাদেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। তাদের এ ষড়যন্ত্র সফল হবে না। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে এদেশের প্রতিটি ধুলিকনার সম্পর্ক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে এ মাটির পবিত্রতা ও মা বোনের সম্ভ্রম রক্ষা পেয়েছে। ১৯৭৫ এরপর মুক্তিযোদ্ধার বিপরীত ধারায় অপশাসনের এবং শোষনের মাধ্যেমে লুন্ঠন এর মাধ্যেমে বাংলাদেশকে বিপজ্জনক সৃষ্টি করেছে। বাংলা ভাইয়ের সৃষ্টি ১০ ট্রাক অস্ত্র একযোগে ৫ শত জায়গায় বোমা হামলা সব কিছু ষড়যন্ত্রের মাধ্যেমে বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য করেছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামীলগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আহসান উল্লাহ মাষ্টার, শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শেখ কোরবান আলী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শেখ সারোয়ার, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান, কোষাধ্যাক্ষ খোদাবক্স, আওয়ামীলীগ নেতা বদিয়ার রহমান তরফদার, আওয়ামীলীগ নেতা জাকির হোসেন আলম, ফারুক হোসেন, সাধান কুমার গোস্বামী, ইকবল হোসেন, বেনাপোল পৌর ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আশাদুজ্জামান আশা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here